হ্যালোডক্টর
যাচাই করা ডাক্তারদের স্বাস্থ্য পরামর্শ আমি ডাক্তার আমি পরামর্শ নিতে চাই লগইন

সাম্প্রতিক পরামর্শ

ডা. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
MBBS, MD (Internal Medicine) • মেডিসিন
ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ
স্ট্রোক নিয়ে কিছু কথাঃ স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা রক্তনালী ফেটে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট একটি জরুরি অবস্থা। এতে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্ট্রোক প্রধানত দুই প্রকারঃ ইসকেমিক বা মস্তিষ্কে  রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়া ও হেমোরেজিক বা মস্তিষ্কে  রক্তক্ষরণজনিত। হঠাৎ শরীরের এক পাশ অবশ হওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া ইত্যাদি এর লক্ষণ। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান ও উচ্চ কোলেস্টেরল ও স্থূলতা স্ট্রোকের ঝুঁকির কারণ। দ্রুত চিকিৎসা না নিলে স্থায়ী অক্ষমতা বা মৃত্যু হতে পারে। তাই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সময় মত সঠিক চিকিৎসা নিলে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
ডা. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
MBBS, MD (Internal Medicine) • মেডিসিন
ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ
ডায়াবেটিস (Diabetes Mellitus) রোগীদের জন্যঃ নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন, পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন (কম চিনিযুক্ত, বেশি আঁশযুক্ত খাবার), প্রতিদিন পা পরীক্ষা করুন (কোনো ক্ষত আছে কিনা দেখুন), ওষুধ/ইনসুলিন নিয়মিত গ্রহণ করুন, মিষ্টি ও কোমল পানীয় পরিহার করুন। হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়ার লক্ষণগুলো শিখে রাখুন (হাত পা কাঁপা, শরীর ঘেমে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত দুর্বল ইত্যাদি)।
Dr. Mohammad Shah Kamal বিশেষজ্ঞ
MBBS, MS (Urologist) • মূত্ররোগ
কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা পরিচিতি
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Mohammad Shah Kamal। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
Dr. S M RAQIBUL HASAN (MISSION)
MBBS, MS (Orthopedic Surgery) • হাড় ও জোড়া
কল্যাণপুর, ঢাকা পরিচিতি
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. S M RAQIBUL HASAN (MISSION)। অর্থোপেডিক, আর্থ্রোস্কপি, জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট ও সোল্ডার সার্জন। আমি ফ্রান্স ও ভারত থেকে আর্থ্রোস্কপি, আর্থ্রোপ্লাস্টি ও সোল্ডার সার্জারীতে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছি। বর্তমানে নিটোর ও ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ,কল্যাণপুরে হিপ,নী ও স্পেশালি সোল্ডারের সকল প্রকার এডভান্স আর্থ্রোস্কপি, লিগামেন্ট ইনজুরি, প্রতিস্থাপন সার্জারী করছি। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
Dr. Sayeda Farnaz Mahbub
MBBS, MCPS (Gynae & Obs), DGO • গাইনি ও প্রসূতি
কদমতলী, ঢাকা পরিচিতি
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Sayeda Farnaz Mahbub। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন। যেকোনো স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যার সমাধান এর জন্য যোগাযোগ করুন সরাসরি বা ফোন এ।।।গাইনী বিষয়ক সমস্যার জন্য
ডা. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
MBBS, MD (Internal Medicine) • মেডিসিন
ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ
ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে কিছু কথাঃ বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব চলছে। ডেঙ্গু জ্বর হলেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে, এমন নয়। ডেঙ্গুতে জ্বর কমার পর ৩–৭ দিনের মধ্যকার সময় সবচেয়ে বিপজ্জনক—এই সময়েই জটিলতা শুরু হয়। তাই এই সময়ে সতর্ক থাকতে হবে। কখন হাসপাতালে ভর্তি করবেন? ১. Warning signs বা "সতর্ক বার্তা" থাকলে অর্থাৎ নিচের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করা উচিতঃ তীব্র পেট ব্যথা বারবার বমি মাড়ি/নাক থেকে রক্ত ক্ষরণ বমিতে বা পায়খানায় রক্ত অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা বা ঝিমুনি শ্বাসকষ্ট ঠান্ডা, ফ্যাকাশে ত্বক প্রস্রাব কমে যাওয়া এগুলো severe dengue-এর পূর্বাভাস এবং দ্রুত চিকিৎসা না দিলে রোগী শকে চলে যেতে পারে। ২. Severe dengue হলে (জরুরি ভর্তি প্রয়োজন) শকের লক্ষণ (BP কমে যাওয়া, pulse pressure কমে যাওয়া, পস্রাব কমে যাওয়া) মারাত্মক রক্তক্ষরণ অঙ্গ বিকল (লিভার, কিডনি, ব্রেন) > এ সব ক্ষেত্রে ICU সাপোর্ট লাগতে পারে। ৩. কিছু বিশেষ অবস্থায় Warning sign না থাকলেও ভর্তি বিবেচনা করতে হবে, যেমন: গর্ভবতী মহিলা বয়স্ক বা শিশু ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, হার্ট রোগ মুখে খাবার খেতে পারে না, এমন রোগী ৪. ল্যাব টেস্ট বা ক্লিনিকাল পরিবর্তন: হেমাটোক্রিট বাড়ছে (plasma leakage) প্লেইটলেট কমে যাচ্ছে + ক্লিনিক্যাল লক্ষণ প্রস্রাব কমে যাচ্ছে এগুলোও ভর্তি করার গুরুত্বপূর্ণ কারণ। কখন বাসায় চিকিৎসা করা যাবে? কোনো warning sign নেই খেতে/পানি পান করতে পারছে প্রস্রাব স্বাভাবিক রক্তচাপ স্বাভাবিক এই রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শে close follow-up সহ বাসায় থাকতে পারে। ....আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন।
Dr. Md. Iftakhar Hassan Khan
MBBS, MCPS (Family Medicine), FCGP (Family Medicine) • জেনারেল ফিজিশিয়ান
উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা
Trust me. Count on me. Rely on me.
ডা. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
MBBS, MD (Internal Medicine) • মেডিসিন
ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ
الوقاية خير من العلاج... "প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম " নিচে কিছু প্রতিরোধযোগ্য রোগের নাম দেওয়া হলো—যেগুলো স্বাস্থ্য-সচেতনতা, টিকা, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে অনেকটাই এড়ানো যায়: যেমন, ক। সংক্রামক (Infectious) রোগ ডেঙ্গু ম্যালেরিয়া যক্ষ্মা (TB) হেপাটাইটিস বি হাম (Measles) ডিফথেরিয়া টিটেনাস কোভিড-১৯ এইডস খ। অসংক্রামক (Non-communicable) রোগ: উচ্চ রক্তচাপ টাইপ-২ ডায়াবেটিস মেলাইটাস হৃদরোগ স্ট্রোক ফুসফুস ক্যান্সার—ধূমপান পরিহারের মাধ্যমে স্থূলতা (Obesity)- পরিমিত আহারেরমাধ্যমে প্রতিরোধের উপায় সংক্ষেপে টিকাদান (Vaccination) নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন মশা নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়মিত ব্যায়াম ধূমপান ও মাদক বর্জন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
Dr. Mehedi Hasan নতুন
MBBS, FCPS ((Internal Medicine, FP)) • মেডিসিন
ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
চিকিৎসকের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকুন।
Dr. Shimul Barua
MBBS, MS (Urology) • মূত্ররোগ
কাওরান বাজার, ঢাকা
🔥Burning Urethral Syndrome (মূত্রনালিতে জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি) 🔹 এটা কী? মূত্রনালিতে বারবার বা দীর্ঘদিন জ্বালাপোড়া, ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হওয়া, কিন্তু পরীক্ষায় সবসময় কোনো সংক্রমণ বা অন্য স্পষ্ট কারণ পাওয়া না যাওয়াকে Burning Urethral Syndrome/urethral pain syndrome বলে। 🔹 উপসর্গ কী কী? প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া মূত্রনালিতে ব্যথা বা অস্বস্তি বারবার প্রস্রাবের বেগ প্রস্রাবের পরও অস্বস্তি থাকা তলপেটে অস্বস্তি কখনও কখনও সহবাসের/বীর্যপাতের পর অস্বস্তি 🔹 চিকিৎসা চিকিৎসা কারণ ও উপসর্গ অনুযায়ী দেওয়া হয়। সংক্রমণ থাকলে উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যথা ও জ্বালাপোড়া কমানোর ওষুধ প্রস্রাবের সমস্যা থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা বিশেষ ব্যায়াম/ফিজিওথেরাপি (Pelvic Floor Relaxation Exercise) দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় স্নায়ুর ব্যথা কমানোর ওষুধ প্রয়োজন হলে মানসিক চাপ কমানো ও কাউন্সেলিং 🔹 প্রতিরোধ 💧 পর্যাপ্ত পানি পান 🌶️ অতিরিক্ত ঝাল/যেসব খাবারে উপসর্গ বাড়ে তা এড়িয়ে চলা ☕ অতিরিক্ত চা-কফি, কোল্ড ড্রিঙ্কস, ক্যাফেইনযুক্ত ড্রিঙ্কস এড়িয়ে চলা 🚭 ধূমপান ও মদ্যপান নিষেধ 🚴 দীর্ঘসময় সাইকেল চালানো ও একটানা বসে থাকা পরিহার 🧘 মানসিক চাপ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুম 🏃 নিয়মিত হালকা ব্যায়াম 🚿 সুগন্ধিযুক্ত সাবান/কেমিক্যাল প্রসাধনী যাতে ইরিটেশন হয় তা দিয়ে যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করা এড়িয়ে চলুন 🚽 প্রস্রাব দীর্ঘসময় চেপে রাখবেন না। সহবাসের পর পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং প্রস্রাব করুন। ⚠️ মনে রাখবেন: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলেই শুধু “ইনফেকশন” ধরে নিয়ে নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। বারবার বা দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে মূত্রনালির সংক্রমণ, যৌনবাহিত সংক্রমণ, পাথর, মূত্রনালির সংকোচন (Urethral Stricture) বা অন্য কারণ আছে কি না ইউরোলজিস্টের পরামর্শে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
Dr. Salman Mahmud নতুন
MBBS, FCPS (Medicine (Course)) • মেডিসিন
বনশ্রী, ঢাকা
যে সকল ডায়াবেটিস রোগীরা প্রথমবারের মত ইনসুলিন শুরু করেন, তারা প্রতি ০৩ দিন পর পর সকালে খালি পেটে এবং নাস্তার দুই ঘন্টা পর ব্লাড সুগার চেক করবেন। যদি বেশি থাকে, তাহলে ইনসুলিন মাত্রা দুই (০২) করে বাড়িয়ে নিবেন। কম থাকলে দুই (০২) কমিয়ে দিবেন। এভাবে ঘরে বসেই আপনার সুগার লেভেল অ্যাডজাস্ট করতে পারেন।
ডা. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
MBBS, MD (Internal Medicine) • মেডিসিন
ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ
অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis) কী? অস্টিওআর্থ্রাইটিস (OA) হলো একটি সাধারণ ক্ষয়জনিত জয়েন্ট রোগ, যেখানে জয়েন্টের কার্টিলেজ ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যায়। ফলে হাড়ের মধ্যে ঘর্ষণ বাড়ে এবং ব্যথা, শক্তভাব ও চলাচলে অসুবিধা দেখা দেয়। কারণ ও ঝুঁকির কারণ: বয়স বৃদ্ধি (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ) অতিরিক্ত ওজন (Obesity) জয়েন্টে আঘাত বা অতিরিক্ত ব্যবহার জেনেটিক প্রবণতা মহিলা (বিশেষ করে মেনোপজের পর) পেশাগত কাজ (যেখানে বারবার জয়েন্ট ব্যবহার হয়) #কোন কোন জয়েন্ট বেশি আক্রান্ত হয়? হাঁটু (Knee) হিপ জয়েন্ট  (Hip) হাতের আঙুল (Finger joints) মেরুদণ্ড (Spine) #লক্ষণ (Symptoms): জয়েন্টে ব্যথা (বিশেষ করে চলাফেরায়) সকালে বা বিশ্রামের পর স্টিফনেস (stiffness) জয়েন্টে ক্রেপিটাস (ঘর্ষণের শব্দ) জয়েন্ট ফোলা বা হালকা প্রদাহ ধীরে ধীরে জয়েন্টের বিকৃতি (deformity) #রোগ নির্ণয় (Diagnosis): রোগীর ইতিহাস ও শারীরিক পরীক্ষা: X-ray: joint space narrowing, osteophyte দেখা যায় প্রয়োজনে MRI- সূক্ষ্ম ভাবে বোঝার জন্য। চিকিৎসা (Management): ১. জীবনধারা পরিবর্তন ওজন কমানো নিয়মিত হালকা ব্যায়াম (যেমন হাঁটা, সাঁতার) ফিজিওথেরাপি ২. ঔষধ প্যারাসিটামল NSAIDs (যেমন ibuprofen) টপিকাল জেল/ক্রিম ৩. অন্যান্য চিকিৎসা ব্রেস বা সাপোর্ট ৪. সার্জারি গুরুতর ক্ষেত্রে Joint replacement (arthroplasty) প্রতিরোধ (Prevention): স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা নিয়মিত ব্যায়াম জয়েন্টে অতিরিক্ত চাপ এড়ানো আঘাত থেকে সুরক্ষা। মোট কথা, অস্টিওআর্থ্রাইটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি কিন্তু নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ। সঠিক জীবনযাপন, ব্যায়াম ও চিকিৎসার মাধ্যমে ব্যথা কমিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব।
Dr. Salman Mahmud নতুন
MBBS, FCPS (Medicine (Course)) • মেডিসিন
বনশ্রী, ঢাকা পরিচিতি
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Salman Mahmud। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
Dr. Shimul Barua
MBBS, MS (Urology) • মূত্ররোগ
কাওরান বাজার, ঢাকা
চেম্বারঃ পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল, সোনারগাঁও রোড, ঢাকা। রোগী দেখার সময়: প্রতিদিন বিকাল ৩:০০টা– রাত ৯:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)।
Dr. Sontosh Kumar Mojumder নতুন
MBBS, MCPS (GYNAE), FICMCH • গাইনি ও প্রসূতি
খুলনা পরিচিতি
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Sontosh Kumar Mojumder। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
ডা. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
MBBS, MD (Internal Medicine) • মেডিসিন
ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ
বাতব্যথা বা আর্থ্রাইটিসঃ আর্থ্রাইটিস (Arthritis) কাকে বলে? আর্থ্রাইটিস হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে এক বা একাধিক জয়েন্টে প্রদাহ (inflammation) হয়, ফলে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা, শক্ত হয়ে যাওয়া (stiffness) এবং নড়াচড়ায় অসুবিধা দেখা যায়। জয়েন্টের সংখ্যার ভিত্তিতে আর্থ্রাইটিসের শ্রেণিবিভাগ: ১. মনো-আর্থ্রাইটিস (Monoarthritis): যখন একটি মাত্র জয়েন্ট আক্রান্ত হয়, তাকে মনো-আর্থ্রাইটিস বলে। উদাহরণ: > গাউট (Gout): সাধারণত পায়ের বড় আঙুলে (first MTP joint) হয়। >সেপটিক আর্থ্রাইটিস (Septic arthritis): একক জয়েন্টে সংক্রমণ- এটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। >ট্রমা-জনিত আর্থ্রাইটিস। ২. অলিগো-আর্থ্রাইটিস (Oligoarthritis): যখন ২ থেকে ৪টি জয়েন্ট আক্রান্ত হয়, তাকে অলিগো-আর্থ্রাইটিস বলে। উদাহরণ: >রিঅ্যাকটিভ আর্থ্রাইটিস (Reactive arthritis) >সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস (Psoriatic arthritis) > আংকাইলোজিং স্পনডাইলাইটিস ৩. পলি-আর্থ্রাইটিস (Polyarthritis): যখন ৫ বা তার বেশি জয়েন্ট আক্রান্ত হয়, তাকে পলি-আর্থ্রাইটিস বলে। উদাহরণ: >রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Rheumatoid arthritis) >সিস্টেমিক লুপাস এরিথেমাটোসাস (SLE) >অস্টিওআর্থ্রাইটিস (multiple joints involvement) >ভাইরাল আর্থ্রাইটিস (যেমন: Dengue, Chikungunya) প্রত্যেক প্রকারের আর্থ্রাইটিস এর সাইন-সিম্পটম ভিন্ন এবং পরীক্ষা নিরীক্ষাও ভিন্ন। সঠিক ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসার মাধ্যমে আর্থ্রাইটিস বা বাতব্যথা নিরাময় করা সম্ভব।
ডা. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
MBBS, MD (Internal Medicine) • মেডিসিন
ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ
বাতব্যথা বা আর্থ্রাইটিসঃ আর্থ্রাইটিস (Arthritis) কাকে বলে? আর্থ্রাইটিস হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে এক বা একাধিক জয়েন্টে প্রদাহ (inflammation) হয়, ফলে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা, শক্ত হয়ে যাওয়া (stiffness) এবং নড়াচড়ায় অসুবিধা দেখা যায়। জয়েন্টের সংখ্যার ভিত্তিতে আর্থ্রাইটিসের শ্রেণিবিভাগ: ১. মনো-আর্থ্রাইটিস (Monoarthritis): যখন একটি মাত্র জয়েন্ট আক্রান্ত হয়, তাকে মনো-আর্থ্রাইটিস বলে। উদাহরণ: > গাউট (Gout): সাধারণত পায়ের বড় আঙুলে (first MTP joint) হয়। >সেপটিক আর্থ্রাইটিস (Septic arthritis): একক জয়েন্টে সংক্রমণ- এটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। >ট্রমা-জনিত আর্থ্রাইটিস। ২. অলিগো-আর্থ্রাইটিস (Oligoarthritis): যখন ২ থেকে ৪টি জয়েন্ট আক্রান্ত হয়, তাকে অলিগো-আর্থ্রাইটিস বলে। উদাহরণ: >রিঅ্যাকটিভ আর্থ্রাইটিস (Reactive arthritis) >সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস (Psoriatic arthritis) > আংকাইলোজিং স্পনডাইলাইটিস ৩. পলি-আর্থ্রাইটিস (Polyarthritis): যখন ৫ বা তার বেশি জয়েন্ট আক্রান্ত হয়, তাকে পলি-আর্থ্রাইটিস বলে। উদাহরণ: >রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Rheumatoid arthritis) >সিস্টেমিক লুপাস এরিথেমাটোসাস (SLE) >অস্টিওআর্থ্রাইটিস (multiple joints involvement) >ভাইরাল আর্থ্রাইটিস (যেমন: Dengue, Chikungunya) প্রত্যেক প্রকারের আর্থ্রাইটিস এর সাইন-সিম্পটম ভিন্ন এবং পরীক্ষা নিরীক্ষাও ভিন্ন। সঠিক ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসার মাধ্যমে আর্থ্রাইটিস বা বাতব্যথা নিরাময় করা সম্ভব।
Dr. Maisum Sobhan নতুন
MBBS, MD (Endocrinology) • ডায়াবেটিস ও হরমোন
ইন্দিরা রোড, ঢাকা
থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত TSH ও FT4 পরীক্ষা করুন। • থাইরয়েডের ওষুধ, বিশেষ করে Levothyroxine, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ বা ডোজ পরিবর্তন করবেন না। • গর্ভাবস্থা, অতিরিক্ত ওজন/ওজন কমে যাওয়া, বুক ধড়ফড়, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা গলায় ফোলা থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। • সুষম খাবার গ্রহণ করুন এবং অপ্রয়োজনীয় থাইরয়েড/আয়োডিন সাপ্লিমেন্ট নিজে থেকে গ্রহণ করবেন না। • নিয়মিত ফলোআপ ও পরীক্ষার মাধ্যমে থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
Dr. Maisum Sobhan নতুন
MBBS, MD (Endocrinology) • ডায়াবেটিস ও হরমোন
ইন্দিরা রোড, ঢাকা পরিচিতি
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Maisum Sobhan। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
ডা. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
MBBS, MD (Internal Medicine) • মেডিসিন
ময়মনসিংহ সদর, ময়মনসিংহ
বাতব্যথা: প্রতিদিনের চিকিৎসা প্রতিদিনের চিকিৎসায় বাতব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা। বাত ব্যথা একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা, যা বয়স, লিঙ্গ, জীবনযাত্রা ও জেনেটিক কারণের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদে অক্ষমতার অন্যতম প্রধান কারণ। #প্রাদুর্ভাব (Prevalence) বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ বাত ব্যথায় আক্রান্ত। সবচেয়ে সাধারণ প্রকারের মধ্যে রয়েছে Osteoarthritis এবং Rheumatoid Arthritis। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশেষ করে Osteoarthritis-এর প্রাদুর্ভাব বাড়ে। #বয়স ও লিঙ্গ (Age & Sex Distribution) Osteoarthritis সাধারণত ৪০ বছরের পর বেশি দেখা যায়। Rheumatoid arthritis তুলনামূলক কম বয়সেও শুরু হতে পারে (৩০–৫০ বছর)। নারীদের মধ্যে Rheumatoid arthritis পুরুষদের তুলনায় বেশি (প্রায় ২–৩ গুণ)। #ভৌগোলিক বৈচিত্র্য (Geographical Variation) উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় দেশেই দেখা যায়, তবে জীবনযাত্রা, পুষ্টি, ও কাজের ধরন অনুযায়ী পার্থক্য হয়। গ্রামীণ এলাকায় শারীরিক পরিশ্রম বেশি হওয়ায় Osteoarthritis বেশি দেখা যেতে পারে। #ঝুঁকির কারণ (Risk Factors): বয়স বৃদ্ধি স্থূলতা (Obesity) জয়েন্টে অতিরিক্ত চাপ (যেমন ভারী কাজ, ভারী খেলাধুলা ইত্যাদি) জেনেটিক কারণ অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া (বিশেষ করে Rheumatoid arthritis ও SLE) #রোগের বোঝা (Burden of Disease): বাত ব্যথা দীর্ঘমেয়াদী অক্ষমতার একটি প্রধান কারণ। এটি কর্মক্ষমতা কমায় এবং জীবনমান (Quality of life) খারাপ করে, স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় বৃদ্ধি করে এবং অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে।

আরও দেখুন

← আগের পাতা