হাড় মজবুত ও সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার (যেমন: দুধ, ডিম, শাকসবজি) এবং ভিটামিন 'ডি'-এর জন্য সকালে কিছু সময় রোদ পোহানো প্রয়োজন। নিয়মিত হাঁটা বা হাল্কা ব্যায়াম হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে। ধূমপান ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন, কারণ এগুলো হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। যেকোনো বয়সেই পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ এবং অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা হাড় ও জোড়ার সুস্থতার জন্য জরুরি।
যাচাই করা ডাক্তারদের স্বাস্থ্য পরামর্শ
আমি ডাক্তার
আমি পরামর্শ নিতে চাই
লগইন
সাম্প্রতিক পরামর্শ
আসসালামু আলাইকুম। আমি Dr. Muhammad Ashraf Ul Alam। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
★DDD★
Diet, পুষ্টিকর খাবার
Discipline, ডিসিপ্লিন লাইফ, ব্যায়াম
Drug চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ
-DDD মেনে চলুন সুস্থ থাকুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Mohammad Mehedi Hasan। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Nurnabi Matubbar। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. MD. Zishan Rahman। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Minhazul Hasan Morshed। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Abir Ahmed। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Dr Mahabub Islam Sarker। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
বাহিরের খোলা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। স্বাস্থ্য সচেতন হন। ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া যেকোনো ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।
ত্বকের যত্ন ও চর্মরোগের সমাধান—সবকিছু এক জায়গায় 🌿
ত্বকের যেকোনো সমস্যা অবহেলা না করে সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ব্রণ, মেছতা, অ্যালার্জি, চুলকানি, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, দাদ, চুল পড়া কিংবা অন্যান্য চর্মরোগ, ত্বকের প্রতিটি সমস্যার সঠিক কারণ ও উপযুক্ত চিকিৎসা জানা প্রয়োজন।
আমার প্রোফাইলে নিয়মিত পাবেন—
★ বিভিন্ন চর্মরোগ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য
★ত্বকের সঠিক যত্ন ও পরিচর্যার পরামর্শ
★ ত্বকের সাধারণ সমস্যা ও করণীয়
★ রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়
★ ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
আপনার ত্বকের সমস্যা ও ত্বকের যত্ন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে চোখ রাখুন
আপনার যেকোনো ত্বক-সংক্রান্ত সমস্যা সম্পর্কে জানতে কমেন্টে লিখতে পারেন।
ত্বক ভালো রাখুন, সুস্থ থাকুন। 🌿
Dr.Sabrina Yasmin
MBBS(DU), MCGP, CMU
General Physician
Trained on Dermatology & Venerology
Trained on Aesthetic Dermatology
🦟 ডেংগু মৌসুমে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা জরুরি
ডেংগু হলে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে অবহেলা করাও যাবে না।
•জ্বর হলে পর্যাপ্ত পানি, ORS, স্যুপসহ তরল খাবার গ্রহণ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। জ্বর ও শরীর ব্যথার জন্য সাধারণত প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যায়।
❌ নিজে থেকে ibuprofen, aspirin, diclofenac, naproxen বা অন্যান্য NSAID painkiller খাবেন না—এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
❌ নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড বা তথাকথিত “ডেংগুর বিশেষ ওষুধ” শুরু করবেন না।
🩸 শুধু platelet কমেছে বলেই আতঙ্কিত হবেন না। Platelet count একা রোগীর অবস্থা নির্ধারণ করে না এবং কখন platelet দিতে হবে, তা চিকিৎসক রোগীর সামগ্রিক অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নেন।
⚠️ বিশেষভাবে সতর্ক থাকুন জ্বর কমে যাওয়ার পর। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, নাক/মাড়ি দিয়ে রক্তপাত, রক্তবমি বা কালো পায়খানা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা/অস্থিরতা, ঠান্ডা-ফ্যাকাশে হাত-পা, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা অচেতন/বিভ্রান্ত হয়ে গেলে দেরি না করে হাসপাতালে যান।
🦟 আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ডেংগু রোগীকে মশার কামড় থেকে রক্ষা করুন, কারণ আক্রান্ত রোগী থেকে মশার মাধ্যমে অন্য মানুষ সংক্রমিত হতে পারে।
মনে রাখবেন: ডেংগুতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পর্যাপ্ত তরল, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং বিপদের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো।
সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ডেংগু প্রতিরোধে নিজের পাশাপাশি পরিবার ও প্রতিবেশীকেও সচেতন করুন।
Dr. Sabrina Yasmin
MBBS(DU)
গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্বাস্থ্য পরামর্শ :
•বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী রক্তচাপ, রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল ইত্যাদি পরীক্ষা করুন।
•প্রয়োজনীয় টিকা সময়মতো নিন।
•কোনো ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না।
•অ্যান্টিবায়োটিক নিজের ইচ্ছায় শুরু করবেন না।
•হঠাৎ প্রচণ্ড বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া বা শরীরের এক পাশ দুর্বল হয়ে গেলে জরুরি চিকিৎসা নিন।
Dr.Sabrina Yasmin
MBBS(DU)
Expert General physician
Dyslipidemia
Dyslipidemia হলো রক্তে cholesterol ও অন্যান্য lipid-এর মাত্রার অস্বাভাবিকতা। এতে সাধারণত LDL (“খারাপ” cholesterol) বেড়ে যায়, HDL (“ভালো” cholesterol) কমে যায় এবং/অথবা triglyceride বেড়ে যায়।
LDL বেশি থাকলে ধমনীর দেয়ালে cholesterol জমে plaque ও atherosclerosis তৈরি হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে heart disease, heart attack ও stroke-এর ঝুঁকি বাড়ে। Dyslipidemia নিজে উচ্চ রক্তচাপের সরাসরি কারণ নয়, তবে hypertension, diabetes, obesity ও smoking-এর সঙ্গে থাকলে cardiovascular risk আরও বাড়ে।
প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ:
- অতিরিক্ত তৈলাক্ত, ভাজাপোড়া ও processed food এড়িয়ে চলুন।
- লাল মাংস, saturated fat ও অতিরিক্ত চিনি কমান।
- শাকসবজি, ফল, whole grains ও fiber-rich খাবার বেশি খান।
- মাছ, ডাল ও lean protein বেছে নিন।
- নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।
- Smoking ও অতিরিক্ত alcohol পরিহার করুন।
- প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়মিত lipid profile পরীক্ষা করুন।
- ঝুঁকি বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে cholesterol-lowering medication প্রয়োজন হতে পারে।
সুস্থ হৃদ্যন্ত্রের জন্য cholesterol নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি blood pressure, blood sugar ও body weight-ও নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. A B M Ibrahim Khalil। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
মানসিক স্বাস্থ্য কে অবহেলা না করে এখন থেকে সচেতন হওয়া জরুরি ।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. মঞ্জুয়ারা পারভীন। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Suraya Akter Sharmin। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।
আসসালামু আলাইকুম। আমি ডা. Md Shariar Rashid Shafi। আমি এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ দেব। আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন থাকলে আমার পোস্টগুলো দেখুন।আপনাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সেবার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
Drink plenty of water. At least 2 litre in a day. Stay healthy 👍